শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ক্রিটিক্যাল, ৪৬ পিয়ারে ফাটল রুমিন ফারহানার বক্তব্যে সংসদে উত্তাপ তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন কোনো তথ্য নেই: জয়সোয়াল ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ প্রতিরোধে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘে আস্থা ফেরানো, শান্তি ও রোহিঙ্গা সংকটে গুরুত্ব নতুন সভাপতির
অর্থনীতি

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে কারখানা চলছে জেনারেটরে, ডিজেলের ‘নীরব ঘাটতি’

২৯ আগস্ট ২০২৬ | ১১:৪১ দুপুর

photo

দেশে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের মধ্যে ডিজেলের চাহিদা বেড়েছে ব্যাপকভাবে। বিশেষ করে শিল্পকারখানা ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে ডিজেলচালিত জেনারেটরের ব্যবহার বেড়েছে। এর ফলে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় ডিজেলের চাহিদা বেড়েছে কয়েক গুণ। তবে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ সীমিত থাকায় বিভিন্ন অঞ্চলে ডিজেলের ‘নীরব ঘাটতি’ তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যানকে দেওয়া এক চিঠিতে সংগঠনটির আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল এসব কথা জানান। চিঠিতে তিনি চাহিদা অনুযায়ী সারা দেশে ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য বিপিসির চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

চিঠিতে বলা হয়, বর্তমানে সারা দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি রয়েছে। একই সময়ে মোট গ্যাসের চাহিদার প্রায় ২৫ শতাংশ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বড় শিল্পকারখানাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুতের বিকল্প হিসেবে ডিজেলচালিত জেনারেটরের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। এতে সারা দেশে ডিজেলের চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

সংগঠনটির দাবি, ঢাকা বিভাগে ডিজেলের চাহিদা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় ১০ থেকে ১২ গুণ বেড়েছে। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ না করে বিপণন কোম্পানিগুলোকে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ তেল সরবরাহের সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। 

চিঠিতে আরও অভিযোগ করা হয়, নির্ধারিত পরিমাণের বেশি জ্বালানি সরবরাহ করা হলে সংশ্লিষ্ট বিপণন কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহের জন্য দায়ী করা হবে—এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফলে চাহিদা বেশি থাকা সত্ত্বেও অনেক এলাকায় পেট্রোল পাম্পগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী ডিজেল মজুত করতে পারছে না।

বিশেষ করে ঘন শিল্পকারখানা-বেষ্টিত এলাকাগুলোর পেট্রোল পাম্পগুলো প্রতিদিন যে পরিমাণ ডিজেল সরবরাহ পাচ্ছে, তা দিয়ে অনেক ক্ষেত্রে রেশনিং করে গ্রাহকদের জ্বালানি দিতে হচ্ছে। এতে পাম্প মালিকরা আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় কম পরিমাণ ডিজেল মজুত রাখতে পারছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

এ অবস্থায় শিল্পাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় ডিজেল কেনার ক্ষেত্রে এক ধরনের ‘প্যানিক’ তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেছে পেট্রোল পাম্প মালিকদের সংগঠনটি। চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ নিশ্চিত করা না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।