শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ক্রিটিক্যাল, ৪৬ পিয়ারে ফাটল রুমিন ফারহানার বক্তব্যে সংসদে উত্তাপ তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন কোনো তথ্য নেই: জয়সোয়াল ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ প্রতিরোধে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘে আস্থা ফেরানো, শান্তি ও রোহিঙ্গা সংকটে গুরুত্ব নতুন সভাপতির
সারাবাংলা

রামেক হাসপাতালে অনিয়ম-অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট বন্ধের দাবি ছাত্রদলের

১৯ আগস্ট ২০২৬ | ০৪:১৬ দুপুর

photo

জশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চলমান নানা অনিয়ম, রোগীদের ভোগান্তি এবং হাসপাতাল চত্বরে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধের দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছে রাজশাহী মহানগর ছাত্রদল।

বুধবার (১৯ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ উল ইসলামের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, রামেক হাসপাতাল বৃহত্তর রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের চিকিৎসাসেবার অন্যতম প্রধান ভরসাস্থল। বিশেষায়িত ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে হাসপাতালটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ, প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসাসেবার মান নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

ছাত্রদলের নেতারা অভিযোগ করেন, হাসপাতালের কিছু নার্স, ওয়ার্ডবয় ও চিকিৎসকের অসহযোগিতামূলক আচরণ এবং দায়িত্ব পালনে অবহেলার কারণে রোগীরা কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বহির্বিভাগে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও অনেকে চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন না। পাশাপাশি বিশেষ সুবিধায় নিয়মবহির্ভূতভাবে সেবা দেওয়ার কারণে বৈষম্য তৈরি হচ্ছে।

স্মারকলিপিতে আরও অভিযোগ করা হয়, হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, ওয়াশরুম ও করিডোরে পরিচ্ছন্নতার ঘাটতি রয়েছে এবং রোগীদের সরবরাহ করা খাবারের মান নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। চিকিৎসকদের নির্ধারিত সময়ে ওয়ার্ড রাউন্ড না করার কারণে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। হৃদরোগ ও স্ট্রোকসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে শয্যা সংকটের কারণে রোগীদের মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। পাশাপাশি সিসিইউসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত ইউনিটের সক্ষমতা প্রয়োজনের তুলনায় কম বলেও উল্লেখ করা হয়।

দালালচক্র ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের অনিয়ন্ত্রিত কার্যক্রম নিয়েও অভিযোগ তুলে ধরা হয়। এতে রোগী ও স্বজনরা প্রতারণা ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেছে ছাত্রদল। জরুরি বিভাগে অক্সিজেন, নেবুলাইজেশনসহ প্রয়োজনীয় তাৎক্ষণিক চিকিৎসা উপকরণের ঘাটতি এবং দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা যন্ত্রপাতি অচল পড়ে থাকার বিষয়টিও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।

এ ছাড়া নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কিছু আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং অসাধু চক্রের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। হাসপাতাল সংলগ্ন অ্যাম্বুলেন্স সেবায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, মানহীন যানবাহন ব্যবহার এবং বাইরে থেকে অ্যাম্বুলেন্স আনলে বাধা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।