বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ক্রিটিক্যাল, ৪৬ পিয়ারে ফাটল রুমিন ফারহানার বক্তব্যে সংসদে উত্তাপ তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন কোনো তথ্য নেই: জয়সোয়াল ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ প্রতিরোধে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘে আস্থা ফেরানো, শান্তি ও রোহিঙ্গা সংকটে গুরুত্ব নতুন সভাপতির
কৃষি ও প্রকৃতি

শখের নার্সারি থেকে রাখির মাসে আয় লাখ টাকা

৩১ আগস্ট ২০২৬ | ০১:৪৪ রাত

photo

শখ থেকে শুরু করে। প্রবল ইচ্ছাশক্তি আর বৃক্ষপ্রেমকে পুঁজি করে সফল উদ্যোক্তা হয়ে উঠেছেন নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার আতিফা নাসরিন রাখি। মাত্র এক হাজার টাকার ক্যাকটাস দিয়ে পথচলা শুরু করা তার ‘প্লান্টোলজি’ নার্সারিতে এখন স্থান পেয়েছে হাজার প্রজাতির দেশি-বিদেশি উদ্ভিদ। বাণিজ্যিক রূপ নেওয়া এই নার্সারি থেকে বর্তমানে সব খরচ বাদ দিয়ে প্রতি মাসে লাখ টাকার কাছাকাছি আয় করছেন এই নারী উদ্যোক্তা।

রাখির এই নার্সারিতে রয়েছে দেশি-বিদেশি নানারকম ফলদ, বনজ, ঔষধি এবং শোভাবর্ধনকারী গাছ। বিশেষ করে বিরল প্রজাতির ইনডোর প্ল্যান্ট ও অর্কিডের প্রতি বৃক্ষপ্রেমীদের আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ তার নার্সারিতে আসছেন পছন্দের গাছ কিনতে। গ্রাহকদের মানসম্মত চারা ও সঠিক পরামর্শ দেওয়ার কারণে অল্প সময়েই বিশ্বস্ততা অর্জন করেছেন তিনি।

দুই জোড়া ক্যাকটাসের চারা থেকে শুরু

শখ থেকে শুরু করা এই উদ্যোক্তার পুরো নাম আতিফা নাসরিন রাখি। তিনি নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার গয়াবাড়ী গ্রামের ব্যবসায়ী শাকিল খানের স্ত্রী। তার নার্সারির নাম ‘প্লান্টোলজি’। ২০২০ সালে ঘর সাজাতে মাত্র এক হাজার টাকা দিয়ে কিনেছিলেন দুই জোড়া ক্যাকটাসের চারা। এরপর গাছের প্রতি ভালোবাসা আর নতুন নতুন প্রজাতি সংগ্রহের নেশা ধীরে ধীরে তাকে নিয়ে যায় উদ্যোক্তা হওয়ার পথে। শখের সেই বাগানই এখন পরিণত হয়েছে বাণিজ্যিক নার্সারিতে।

যেন ‘সবুজ স্বর্গ’

সরেজমিন দেখা যায়, নার্সারিতে বিভিন্ন আকারের টব ও ঝুলন্ত পাত্রে সাজানো রয়েছে নানা প্রজাতির গাছ। ছাউনি ও মাচার নিচে সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে ক্যাকটাস, সাকুলেন্ট, স্যানসেভেরিয়া ও পাতাবাহার। রঙিন পাতার আগলোনেমা, কোলিয়াস, মনস্টেরা ও ফিলোডেনড্রনের পাশাপাশি রয়েছে জেড প্ল্যান্ট, ইকেভেরিয়া ও হাওর্থিয়াসহ বিভিন্ন জাতের সাকুলেন্ট। বৈচিত্র্যময় আকৃতি ও রঙের ক্যাকটাসও নজর কাড়ে দর্শনার্থীদের।

ভবিষ্যতে নার্সারির পরিধি আরও বড় করার পরিকল্পনা রয়েছে রাখির। আলাপকালে এই উদ্যোক্তা জানান, শুরুতে পথচলাটা খুব সহজ ছিল না। কিন্তু সঠিক পরিচর্যা, ধৈর্য এবং অধ্যবসায়ের কারণে আজ তার নার্সারিটি সুদৃশ্য ‌‘সবুজ স্বর্গে’ পরিণত হয়েছে। নার্সারি পরিচালনা ও পরিচর্যায় তিনি স্থানীয় কয়েকজনের কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি করেছেন।