শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ক্রিটিক্যাল, ৪৬ পিয়ারে ফাটল রুমিন ফারহানার বক্তব্যে সংসদে উত্তাপ তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন কোনো তথ্য নেই: জয়সোয়াল ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ প্রতিরোধে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘে আস্থা ফেরানো, শান্তি ও রোহিঙ্গা সংকটে গুরুত্ব নতুন সভাপতির
পরিবেশ ও জলবায়ু

দুর্লভ প্রজাতির ‘সাইবোল্ডস ওয়াটার স্নেক’ উদ্ধার

৩১ আগস্ট ২০২৬ | ০২:১৫ রাত

photo

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দুর্লভ প্রজাতির ‘সাইবোল্ডস ওয়াটার স্নেক’ নামের একটি সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে সাপটি স্থানীয় বন্যপ্রাণী রেঞ্জে হস্তান্তর করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বুধবার রাতে উপজেলার সিন্দুরখান ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী কুঞ্জবন গ্রাম থেকে অক্ষত অবস্থায় সাপটি উদ্ধার করা হয়েছিল।

রাতে গ্রামের একটি স্থানে সাপের বাচ্চাটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় এলাকাবাসী বিষয়টি বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে জানালে আমি এবং রাজদীপ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাপটি উদ্ধার করে স্থানীয় বন বিভাগের নিকট হস্তান্তর করি।

এর নাম শনাক্তকরণ প্রসঙ্গে স্বপন দেব সজল আরও জানান, সাপটির সঠিক পরিচয় শনাক্তের জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মনিরুল খান, ড. কামরুল হাসান এবং বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক আদনান আজাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরবর্তীতে বিশেষজ্ঞদের অনুসন্ধান ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সাপটিকে সাইবোল্ড’স ওয়াটার স্নেক শনাক্ত করা হয়।

সাপটি অত্যন্ত দুর্লভ প্রজাতির।

অধ্যাপক ড. মনিরুল খান বলেন, উদ্ধার করা সাপটি ‘সাইবোল্ড’স ওয়াটার স্নেক’। এটি দুর্লভ ও নির্বিষ প্রজাতির জলচর সাপ। বাংলায় এ সাপের নির্দিষ্ট কোনো নাম নেই। বাংলাদেশে রংপুর, কুড়িগ্রাম অঞ্চলে এ প্রজাতির কদাচিৎ দেখা পাওয়া যায়। বাংলাদেশ ও ভারতের মিঠাপানির জলাশয়, নদী, খাল ও বিলে এদের বসবাস।

তিনি আরও বলেন, এদের শরীর তুলনামূলক মোটা এবং পিঠের ওপর কালচে বা ধূসর-বাদামি রঙের ছোপ ছোপ দাগ রয়েছে। এরা মূলত মাছ ও উভচর প্রাণী, বিশেষ করে ব্যাঙ খেয়ে বেঁচে থাকে। বেশিরভাগ সময় এরা পানিতে কিংবা জলাভূমির আশপাশে অবস্থান করে।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. কাজী নাজমুল হক বলেন, উদ্ধার করা সাপটির প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। এরপর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।