শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ক্রিটিক্যাল, ৪৬ পিয়ারে ফাটল রুমিন ফারহানার বক্তব্যে সংসদে উত্তাপ তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন কোনো তথ্য নেই: জয়সোয়াল ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ প্রতিরোধে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘে আস্থা ফেরানো, শান্তি ও রোহিঙ্গা সংকটে গুরুত্ব নতুন সভাপতির
জাতীয়

বাড়তি আমদানিতেও সিলিন্ডার গ্যাসে সংকট

২৫ আগস্ট ২০২৬ | ০২:২৫ দুপুর

photo

গত বছর একই সময়ের তুলনায় ২৫ শতাংশেরও বেশি আমদানি বাড়লেও বাজারে বোতলজাত এলপিজির সংকট কাটছে না। পাইপলাইনে গ্যাসের সরবরাহ ঘাটতি থাকায় ভোক্তাপর্যায়ে বেড়েছে সিলিন্ডার গ্যাসের ব্যবহার। পাশাপাশি রয়েছে প্রাকৃতিক দুর্যোগের অজুহাত।

ভারত মহাসাগরে বৈরী আবহাওয়ার কারণে আমদানি করা এলপিজির চালান আসা বিলম্বিত হওয়ায় বাজার ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে অভিযোগ রয়েছে, সরবরাহে ঘাটতি থাকার সুযোগে ডিলার-ডিস্ট্রিবিউটররা ১২ কেজির সিলিন্ডার ১৫০-২০০ টাকা বেশিতে বিক্রি করছেন।

জানা যায়, আমাদের দেশে গৃহস্থালি বাদেও শিল্প-কারখানা ও যানবাহনে ন্যাচারাল (প্রাকৃতিক) ও পেট্রোলিয়াম দুই ধরনের গ্যাস ব্যবহার করা হয়। দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে পাওয়া প্রাকৃতিক গ্যাসের পাশাপাশি আমদানি করা এলএনজি (লিকুফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস) পাইপলাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন শিল্প, সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশন, সার কারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, চা-বাগান, হোটেল-রেস্তোরাঁ ও গৃহস্থালিতে সরবরাহ করা হয়। পুরো কর্মযজ্ঞটি সম্পাদন করে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা চার হাজার মিলিয়ন ঘনফুটের কাছাকাছি। স্বাভাবিক সময়ে দেশি উৎস ও আমদানির মাধ্যমে পেট্রোবাংলা সরবরাহ দেয় তিন হাজার মিলিয়ন ঘনফুটের মতো। বর্তমানে ২২-২৩শ ঘনফুট সরবরাহ দেওয়ায় সারাদেশের মতো চট্টগ্রামেও চলছে গ্যাসের জন্য হাহাকার।