শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ক্রিটিক্যাল, ৪৬ পিয়ারে ফাটল রুমিন ফারহানার বক্তব্যে সংসদে উত্তাপ তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন কোনো তথ্য নেই: জয়সোয়াল ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ প্রতিরোধে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘে আস্থা ফেরানো, শান্তি ও রোহিঙ্গা সংকটে গুরুত্ব নতুন সভাপতির
আন্তর্জাতিক

বাড়ছে সোনার দাম, আপনার টাকা কি নিরাপদ?

২৪ আগস্ট ২০২৬ | ০১:২২ দুপুর

photo

বিশ্ববাজারে সোনার দামে আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। মূল্যবান এই ধাতুর দাম এরই মধ্যে প্রতি ট্রয় আউন্স ৪ হাজার ৬০০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। কয়েক সপ্তাহ আগেও এর দাম চার হাজার ডলারের আশপাশেই ছিল। দাম দ্রুত বাড়তে থাকায় বিনিয়োগকারীদের নজরও আবার সোনার দিকে ফিরেছে।

তবে সোনায় বিনিয়োগের আকর্ষণ শুধু দাম বাড়ার কারণে নয়। মূল্যস্ফীতির সময় সম্পদের প্রকৃত মূল্য ধরে রাখার ক্ষেত্রে সোনাকে দীর্ঘদিন ধরেই একটি নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে দেখা হয়।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, দীর্ঘমেয়াদে সোনা কি সত্যিই মূল্যস্ফীতিকে হারাতে পেরেছে?

কী বলছে ৩০ বছরের তথ্য

ভারতের বিনিয়োগ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ফান্ডসইন্ডিয়ার আগস্ট ২০২৬-এর ‘ওয়েলথ কনভারসেশনস’ প্রতিবেদনে এ বিষয়ে একটি বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে। এতে ১৯৯৫ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে সোনার রিটার্নের সঙ্গে মূল্যস্ফীতির তুলনা করা হয়েছে।

এখানে সোনার বার্ষিক গড় রিটার্ন মূল্যস্ফীতির তুলনায় কতটা বেশি বা কম ছিল, তা হিসাব করা হয়েছে।

সংখ্যাটি ইতিবাচক হলে বোঝায়, সোনা মূল্যস্ফীতির চেয়ে বেশি রিটার্ন দিয়েছে। আর ঋণাত্মক হলে বোঝায়, সোনার চেয়ে দ্রুত বেড়েছে মূল্যস্ফীতি।

এক বছরে ফলাফল ছিল বেশ ওঠানামার

মাত্র এক বছরের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সোনার ফলাফল ছিল বেশ অনিশ্চিত।

১৯৯৫ থেকে ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, এক বছরের মেয়াদে গড়ে সোনা প্রতি বছর প্রায় চার শতাংশ পয়েন্ট মূল্যস্ফীতিকে ছাড়িয়ে গেছে।

তবে সব সময় একই ফল পাওয়া যায়নি। কোনো কোনো এক বছরের মেয়াদে সোনা মূল্যস্ফীতির চেয়ে সর্বোচ্চ ২৪ শতাংশ পয়েন্ট বেশি রিটার্ন দিয়েছে। আবার কোনো কোনো সময়ে সোনার রিটার্ন মূল্যস্ফীতির চেয়ে ২৮ শতাংশ পয়েন্ট পর্যন্ত কম ছিল।