বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ক্রিটিক্যাল, ৪৬ পিয়ারে ফাটল রুমিন ফারহানার বক্তব্যে সংসদে উত্তাপ তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন কোনো তথ্য নেই: জয়সোয়াল ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ প্রতিরোধে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘে আস্থা ফেরানো, শান্তি ও রোহিঙ্গা সংকটে গুরুত্ব নতুন সভাপতির
আন্তর্জাতিক

মক্কা চুক্তির অধীনে প্রথম বৈঠক সোমবার, বাংলাদেশ প্রসঙ্গ কি উঠবে?

৩১ আগস্ট ২০২৬ | ০৩:১৮ রাত

photo

মক্কায় চুক্তি সইয়ের পর প্রথমবারের মতো এক টেবিলে বসতে যাচ্ছেন সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের শীর্ষ কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা। আগামী সোমবার (৩১ আগস্ট) তুরস্কের ইস্তাম্বুলে বসছে তিন দেশের কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির প্রথম বৈঠক।

বৈঠক ঘিরে এরই মধ্যে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে তিন দেশের সামরিক সক্ষমতা বাড়ানো, প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় যৌথ উদ্যোগ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে।

মক্কায় গত ৭ আগস্ট চুক্তিটি সই হওয়ার পর এটিই হতে যাচ্ছে এর আওতায় প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।

ইস্তাম্বুলে কারা থাকছেন

তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, সোমবারের বৈঠকে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলের এবং চিফ অব জেনারেল স্টাফ জেনারেল সেলচুক বায়রাকতারোগলু অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

পাকিস্তানের পক্ষে থাকবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার, ফেডারেল প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির।

সৌদি আরবের পক্ষে বৈঠকে অংশ নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান, প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান এবং চিফ অব জেনারেল স্টাফ জেনারেল ফাইয়াদ বিন হামেদ আল-রুয়াইলি।

প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় জোর

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় বিভিন্ন কার্যক্রমের কৌশলগত দিকনির্দেশনা দেওয়াই এই কমিটির অন্যতম উদ্দেশ্য।

তুর্কি সংবাদমাধ্যম তুর্কিয়ে টুডের খবরে বলা হয়েছে, ইস্তাম্বুলের বৈঠকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি তিন দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে।

তিন দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় ও আন্তঃকার্যক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।

প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়টি বৈঠকের গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্যসূচিতে থাকতে পারে। এর মধ্যে যৌথ উৎপাদন এবং গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমের বিষয়ও রয়েছে।