বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ক্রিটিক্যাল, ৪৬ পিয়ারে ফাটল রুমিন ফারহানার বক্তব্যে সংসদে উত্তাপ তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন কোনো তথ্য নেই: জয়সোয়াল ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ প্রতিরোধে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘে আস্থা ফেরানো, শান্তি ও রোহিঙ্গা সংকটে গুরুত্ব নতুন সভাপতির
প্রবাস

বিদেশি নারীদের দিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা, ১২ বাংলাদেশি আটক

২৫ আগস্ট ২০২৬ | ০৪:৪৯ দুপুর

photo

মালয়েশিয়ার নেগেরি সেম্বিলানের সেরেমবান এলাকায় অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় ও বিদেশি নাগরিকসহ ৫৭ জনকে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম)। আটকদের মধ্যে ১২ জন বাংলাদেশিও রয়েছেন।

রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুর ২টায় সেরেমবানের তিনটি স্থানে জেআইএমের পুত্রাজায়া সদর দপ্তরের গোয়েন্দা ও বিশেষ অভিযান বিভাগের কর্মকর্তারা অভিযান চালান। কুয়ালালামপুরে ইন্দোনেশিয়ার দূতাবাসের (কেবিআরআই) কর্মকর্তারাও এতে সহযোগিতা করেন।

অভিবাসন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে ৭ জন স্থানীয়, ৩ জন ইন্দোনেশিয়ার, ১২ জন বাংলাদেশি এবং ৩ জন মিয়ানমারের নাগরিকসহ মোট ৫৭ জনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বয়স ১৯ থেকে ৬৫ বছরের মধ্যে।

তদন্তে জানা গেছে, একটি সংঘবদ্ধ চক্র দৈনিক ও সাপ্তাহিক ভিত্তিতে হোস্টেল ও বাজেট হোটেলে বিদেশি নারীদের অবস্থানের ব্যবস্থা করতো। স্থানীয় ও বিদেশি নাগরিকদের মধ্য থেকে কয়েকজন ‘ক্যাপ্টেন’ বা ম্যানেজার হিসেবে এসব কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করতেন বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ।

অভিবাসন বিভাগ জানায়, বিদেশি নারীরা গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতি সেবার জন্য প্রায় ৫০ রিঙ্গিত করে নিতেন। স্থানীয় ও বিদেশি নাগরিকরা তাদের গ্রাহক। প্রায় এক বছর ধরে এই কার্যক্রম চলছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

চক্রটির কার্যক্রম ছিল সুসংগঠিত এবং নির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিচালিত হতো। এই অবৈধ ব্যবসা থেকে বছরে আনুমানিক ৫ লাখ ৪০ হাজার রিঙ্গিত লাভ হতো বলে ধারণা করছে অভিবাসন বিভাগ।

অভিযানে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর বিভিন্ন ধারায় তদন্ত করা হচ্ছে। স্থানীয় সাতজনকে কথিত অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগে ধারা ৫৬(১)(ডি)-এর আওতায় তদন্ত করা হচ্ছে। অন্য বিদেশিদের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর ধারা ৬(১)(সি) এবং অভিবাসন বিধিমালা ১৯৬৩-এর ৩৯(বি) ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।