বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ক্রিটিক্যাল, ৪৬ পিয়ারে ফাটল রুমিন ফারহানার বক্তব্যে সংসদে উত্তাপ তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন কোনো তথ্য নেই: জয়সোয়াল ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ প্রতিরোধে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘে আস্থা ফেরানো, শান্তি ও রোহিঙ্গা সংকটে গুরুত্ব নতুন সভাপতির
প্রবাস

ফ্রান্সে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক উৎসবে মাতলো বাংলাদেশিরা

৩১ আগস্ট ২০২৬ | ০২:৩১ রাত

photo

ফ্রান্সে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার প্যারিসের অদূরে লা কর্নভে ফ্রাঙ্কো-বাংলা সোশিও কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।

ফুটবল টুর্নামেন্ট, শিশু-কিশোরদের প্রতিযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য পুরো অনুষ্ঠানস্থল এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

দিনব্যাপী এই আয়োজনের মূল আকর্ষণ ছিল ফুটবল টুর্নামেন্ট।

তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই টুর্নামেন্টে সেন্ট-ডেনিস কালচারাল সোসাইটি চ্যাম্পিয়ন এবং জেনারেশন গ্রুপ রানার্সআপ হয়। খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

ফুটবল টুর্নামেন্টের পাশাপাশি দৌড়, মোরগ লড়াই, বেলুন ফোটানো এবং রশি টানাটানিসহ শিশু-কিশোরদের জন্য বিভিন্ন বিনোদনমূলক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এছাড়া আয়োজকদের পক্ষ থেকে সকালের নাশতা ও দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়।

ফ্রাঙ্কো-বাংলা সোশিও কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং ক্রীড়া উৎসব বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও সাংবাদিক মুহাম্মদ নূরুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নাগরিক পরিষদের সভাপতি আবুল খায়ের লস্কর, কমিউনিটি নেতা গোলাম ফারুক ভূঁইয়া, জিয়াউদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান ও কামরুল ইসলামসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

অতিথিরা তাদের বক্তব্য বলেন, প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধের চর্চা বজায় রাখা এবং নতুন প্রজন্মকে তার সঙ্গে পরিচিত করার ক্ষেত্রে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রবাসীদের পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়।

আয়োজকরা জানান, প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং নতুন প্রজন্মের কাছে দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এমন অনুষ্ঠানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আশাবাদের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটে।